নির্বাচনে আনোয়ার ইব্রাহিমের পাকাতান হারাপান (পিএইচ) জোট সর্বোচ্চ ৮২টি আসনে জয় পায়। আর মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের দল পেরিকাতান ন্যাসিওনাল (পিএন) পেয়েছে ৭৩ আসন। কোনো দলই ২২২ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ১১২ আসন পায়নি।

বর্তমানে ক্ষমতাসীন জোট বারিসান ন্যাসিওনাল নির্বাচনে ৩০টি আসন পায়। কিন্তু তারা কোনো জোটকে সমর্থ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেনি। এতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।

শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক অচলাবস্থা অবসানের দায়িত্ব পড়ে সুলতানের ওপর। তিনি দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বসে জোট সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে আগের সরকারপ্রধানদের পরামর্শ নেন।

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়ে আনোয়ার ইব্রাহিমের তিন দশকের প্রতীক্ষারও অবসান হতে যাচ্ছে। বিরোধী নেতা হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সমকামিতার জন্য কারাভোগও করতে হয়েছিল তাঁকে।

৭৫ বছর বয়সী এই নেতা বছরের পর বছর খুব কাছাকাছি এসেও প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি ১৯৯০ সালে উপপ্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনী জোটের চুক্তি অনুসারে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।

সমকামিতা ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রায় এক দশক কারাভোগ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। তবে তিনি বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দিতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব অভিযোগ আনা হয়েছিল।