বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি চীন নিজেদের ভূমি, সমুদ্র ও আকাশ থেকে এই অস্ত্র ছোড়ার অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পেন্টাগন। কংগ্রেসে জমা দেওয়ার জন্য চীনের সামরিক অগ্রযাত্রার বিষয়ে বার্ষিক এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।

গত বছর প্রকাশিত একই প্রতিবেদনে পেন্টাগন প্রাক্কলন করেছিল, ২০৩০ সাল নাগাদ চীনের কাছে থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ দ্বিগুণ হতে পারে। তবে সেই তুলনায় অনেক আগেই চীনের পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার আরও বড় হচ্ছে।

পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদে বিশ্বে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। এখন চীন এই দুটি দেশের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এ জন্য ভূমি, সমুদ্র ও আকাশ থেকে পারমাণবিক অস্ত্রসহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টায় রয়েছে বেইজিং।

স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি স্বাধীন গবেষকেরা জানান, চীনের পশ্চিমাঞ্চলে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন একটি ভান্ডার গড়ে তুলেছে বেইজিং। এ খবরের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ জানিয়েছে। পেন্টাগন বলছে, এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভীষণ উদ্বেগের। কেননা, এই কর্মকাণ্ড চীনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পারমাণবিক প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা আনতে বেইজিংয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম—এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে চীন, গত মাসে এমন দাবি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। তবে চীন এই দাবি নাকচ করে দেয়।
এদিকে পেন্টাগনের এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর চীনের পক্ষ থেকে এটিকে ‘পক্ষপাতমূলক’ বলেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়টিকে বড় করে দেখাতে চাইছে।
এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েইবিন বলেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে আগেও এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। পক্ষপাতমূলক এসব প্রতিবেদনে প্রকৃত চিত্র উঠে আসেনি। চীন নয় বরং যুক্তরাষ্ট্র নিজেই বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় পারমাণবিক হুমকি।

চীন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন