সংসদ সদস্য (এমপি), রাজ্যসভার সদস্য ও বিধায়কেরা (এমএলএ) এই নির্বাচনে ভোট দিয়ে থাকেন। লোকসভার বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে পড়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এ ছাড়া রাজ্যগুলোর বিধানসভায় একযোগে ভোট গ্রহণ চলছে।

ভারতের সর্বোচ্চ দপ্তরের লড়াইয়ে দ্রৌপদী মুর্মুকে (৬৪) শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা হচ্ছে। ওডিশার উপজাতি নারী ও ঝাড়খন্ডের সাবেক এই গভর্নরকে অনেক হিসাব-নিকাশ করেই প্রার্থী করেছে এনডিএ জোট।

এতে দ্রৌপদী শুধু ঝাড়খন্ডের ক্ষমতাসীন মুক্তি মোর্চারই সমর্থন পাননি, ওডিশার নবীন পট্টনায়েকের সমর্থনও পেয়েছেন। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমারও তাঁকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন।

মহারাষ্ট্রের শিবসেনার দুই পক্ষই দ্রৌপদীকে ভোট দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিজেপির মিত্র অংশ এবং উদ্ধব ঠাকরের অংশও তাঁকে ভোট দিতে যাচ্ছেন। ঠাকরের নেতৃত্বাধীন অংশ প্রথমে বিরোধীদের প্রার্থী যশোবন্ত সিনহাকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ১৬ এমপির অনুরোধে আগের অবস্থান থেকে সরে আসে তাঁরা।

প্রস্তাবিত তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি না হলে অটল বিহারি বাজপেয়ী নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশোবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করে বিরোধীরা। তিনি পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন।

বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির প্রধান শারদ পাওয়ার, সাবেক গভর্নর গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী ও সাবেক জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ প্রার্থী হতে রাজি হননি।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২১ জুলাই ভোট গণনা হবে। নতুন রাষ্ট্রপতি শপথ নেবেন ২৫ জুলাই।

ভারত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন