মাচাদো কি নিজের শান্তি পুরস্কার ট্রাম্পকে দিয়ে দিতে পারবেন, কী বলছে নোবেল ইনস্টিটিউট
নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তি তাঁর পুরস্কারটি আরেকজনকে হস্তান্তর, ভাগাভাগি কিংবা প্রত্যাহার করতে পারেন না। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী কোরিনা মাচাদো ২০২৫ সালে পাওয়া তাঁর পুরস্কারটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে দিতে পারেন বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট এ কথা বলেছে। নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ীর নাম ঘোষণা করে থাকে।
এক বিবৃতিতে নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধিবিধানের কথা উল্লেখ করে ইনস্টিটিউট বলেছে, নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও স্থায়ী। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো সুযোগ নেই। সংস্থাটি আরও বলেছে, পুরস্কার দেওয়ার পর বিজয়ীদের কোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো মন্তব্য করে না।
গত শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ও নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে বলেছে, ‘একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা প্রত্যাহার করা যায় না, ভাগাভাগি করা যায় না বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং চিরকালের জন্য বহাল থাকে।’
গত শুক্রবার নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ও নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে বলেছে, ‘একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হলে তা প্রত্যাহার করা যায় না, ভাগাভাগি করা যায় না বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং চিরকালের জন্য বহাল থাকে।’
গত সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের সাংবাদিক শন হ্যানিটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, ট্রাম্পকে এই শান্তি পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে তা হবে ভেনেজুয়েলার জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানানো। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য এ কৃতজ্ঞতা।
হ্যানিটি জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি কোনোভাবে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন? আসলেই কি এমন কিছু ঘটেছে?”
এর জবাবে মাচাদো বলেন, এখনো এমন কিছু ঘটেনি।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে নিজের কূটনৈতিক সাফল্যের কথা উল্লেখ করে নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়ে আসছেন। ইতিমধ্যে তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনে আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে মাচাদো যদি তাঁকে তাঁর পুরস্কারটি দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন, তবে তিনি তা গর্বের সঙ্গে গ্রহণ করবেন।
মাচাদো ভেনেজুয়েলার জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য। ২০২৪ সালে ভেনেজুয়েলার সাধারণ নির্বাচনে মাদুরো–সমর্থিত কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রার্থী হতে দেয়নি।
মাচাদো তখন অন্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিলেন। ওই প্রার্থীকে ভোটে জয়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। যদিও নির্বাচনে মাদুরো নিজেকে বিজয়ী দাবি করেন। তবে স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের ব্যালট নিরীক্ষায় সরকারি ফলাফলে অনিয়ম দেখা গেছে।