মাস্ক যখন চলতি বছরের এপ্রিলে প্রকাশ্যে টুইটার কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তখনই গুঞ্জন উঠেছিল যে মালিকানা বদল হলে পরাগ বরখাস্ত হবেন।

পরাগ চাকরি হারালে টুইটার থেকে কতটা অর্থ পাবেন, তার একটা হিসাব তখন দিয়েছিল গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকুইলার।

হিসাব কষে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, টুইটারের মালিকানা পরিবর্তনের ১২ মাসের মধ্যে যদি পরাগকে চাকরিচ্যুত করা হয়, তাহলে তিনি কোম্পানিটি থেকে আনুমানিক ৪ কোটি ২০ লাখ (৪২ মিলিয়ন) ডলার অর্থ পাবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ৪২৮ কোটি টাকার বেশি।

২০২১ সালের নভেম্বরে টুইটারের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন পরাগ। তিনি কোম্পানিটিতে প্রথম যোগ দিয়েছিলেন ২০১১ সালে। তিনি ২০১৭ সালে কোম্পানির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা হয়েছিলেন।

নানা নাটকীয়তার পর মাস্ক ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে টুইটার কেনার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন।

টুইটার কেনার ঘোষণার পর একপর্যায়ে মাস্ক বেঁকে বসেছিলেন। তিনি টুইটার কেনার চুক্তি থেকে সরে আসার চেষ্টাও করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টুইটারে থাকা ভুয়া অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তাঁকে পরাগ বিভ্রান্ত করেছেন। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ায়। পরে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ে তিনি টুইটার কেনার আনুষ্ঠানিকতা সারেন।