মাস্কের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে থাকা ভুয়া অ্যাকাউন্টের (ব্যবহারকারী) বিষয়ে তাঁকে এবং টুইটারের বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করেছেন এসব কর্মকর্তা।

মালিকানা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার সময় আগারওয়াল ও সেগাল টুইটারের সানফ্রান্সিসকো সদর দপ্তরেই ছিলেন। পরে নিরাপত্তা পাহারায় তাঁদের সেখান থেকে বের হয়ে যেতে দেখা যায় বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে টুইটার কর্তৃপক্ষ, মাস্ক এবং বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার সিইও মাস্ক বলেছেন, টুইটারে ‘স্প্যাম বট’ পরাভূত করতে চান তিনি। কীভাবে ব্যবহারকারীদের কাছে প্রকাশ্যে পর্যাপ্ত কনটেন্ট তুলে ধরা যায়, সেভাবে অ্যালগরিদম সাজাবেন তিনি।

টুইটারের নতুন মালিক আরও বলেন, প্ল্যাটফর্মটির ঘৃণা ও বিভাজনের আখড়ায় পরিণত হওয়া ঠেকাতে চান তিনি। যদিও একই সময়ে তিনি সেন্সরশিপ সীমিত করছেন।

অবশ্য এসব লক্ষ্য কীভাবে অর্জন করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি মাস্ক। কোম্পানিটি কে পরিচালনা করবে, সেটা নিয়েও কিছু বলেননি তিনি। তাঁর ছাঁটাইয়ের ঘোষণায় দুশ্চিন্তায় আছেন টুইটারের প্রায় সাড়ে সাত হাজার কর্মী।

মালিকানা গ্রহণের পর মাস্ক আরও বলেছেন, অর্থ আয় করতে তিনি টুইটার কেনেননি। বরং তিনি মানবজাতিকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন, যাদের তিনি ভালোবাসেন।

টুইটার বিক্রি নিয়ে অবশ্য কম নাটক হয়নি। টুইটার কেনার ঘোষণা দিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার পর মাঝপথে সরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন মাস্ক। বিষয়টি গড়ায় আদালতে। শেষ পর্যন্ত মামলা এড়াতে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ে টুইটার কিনে নিলেন তিনি।