default-image

বিচার বিভাগের এই আবেদনের ফলে সাবেক একজন প্রেসিডেন্টের বাসায় নজিরবিহীন তল্লাশি চলাকালে তদন্তকারীরা কী খোঁজ করেছিলেন শিগগিরই সে বিষয়ে আরও জানতে পারবে জনগণ।

গত বছরের জানুয়ারিতে দায়িত্ব শেষে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় ট্রাম্প অবৈধভাবে নথিপত্র সরিয়ে নিয়েছেন কি না, সেই তদন্তেরই অংশ হিসেবে এই তল্লাশি চালানো হয়। বিচার বিভাগ মনে করছে, এসব নথিপত্রের মধ্যে রাষ্ট্রীয় কিছু অতি গোপনীয় নথি রয়েছে।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই তল্লাশি অভিযানের অনুমোদন দিয়েছেন। গারল্যান্ড ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া একজন কর্মকর্তা। তল্লাশিকালে জব্দ করা সামগ্রীগুলোর একটি সম্পাদিত রসিদও প্রকাশ করতে চায় বিচার বিভাগ।

তদন্তের ঘটনা প্রকাশ্যে নিশ্চিত করার তাঁর এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে একেবারেই বিরল। ব্যক্তি অধিকার সুরক্ষায় চলমান তদন্তের বিষয়ে আলোচনা করেন না যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারা। অবশ্য এ ঘটনায় সোমবার রাতে ট্রাম্প নিজেই এক বিবৃতি দিয়ে তল্লাশির বিষয়টি জানিয়েছেন।

গারল্যান্ড বলেন, তল্লাশির বিষয়টি সাবেক প্রেসিডেন্ট কর্তৃক জনসম্মুখে নিশ্চিত করা, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং এ বিষয়ে যথেষ্ট জনস্বার্থের প্রেক্ষাপটে পরোয়ানাটি প্রকাশ করার অনুরোধ জানিয়েছে বিচার বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্পের ওই আবাসনে তল্লাশি অভিযানে এফবিআই প্রায় ১০টি বাক্স উদ্ধার করেছে। অবশ্য তল্লাশির সময় ফ্লোরিডায় ছিলেন না ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন