সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের জেরে উত্তেজনা চরমে ওঠে। তাইওয়ানের চারপাশ ঘিরে সামরিক মহড়া শুরু করে চীন। এ পরিস্থিতিতে আজ শনিবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিকে তাইওয়ান সফরের পর পেলোসির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন। প্রতিরক্ষা, মাদক চোরাচালান, আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন, জলবায়ুসহ বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করেছে তারা। এ নিয়ে অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, আটটি ইস্যুতে আলোচনা বন্ধের ফল শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, বরং সারা বিশ্বই ভোগ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীন সামরিক যোগাযোগের একাধিক ‘চ্যানেল’ বন্ধ করেছে বলে জানান করেন অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, এগুলো ভুল–বোঝাবুঝি ও সংকট এড়াতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু ইস্যুতে সহযোগিতা বন্ধ করে চীন শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই সাজা দিচ্ছে না, পুরো বিশ্বকে সাজা দিচ্ছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকে বলেছিলেন, কোনো ভুল–বোঝাবুঝি এড়াতে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগের পথগুলো খোলা রাখতে দৃঢ় সংকল্প। এদিকে ব্লিঙ্কেন চীন নিয়ে ‘অসত্য কথা’ বলছেন অভিযোগ করে শনিবার ওয়াং ই বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে এটা বলে সতর্ক করতে চাই যে তাড়াহুড়ো করবেন না। আরও বড় কোনো সংকট তৈরি করবেন না।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন