অনলাইনে জলমহাল ইজারা আবেদনের সুবিধা চালু

অনলাইনে জলমহাল ইজারার আবেদন দাখিলের সুবিধা চালু করল ভূমি মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার এ–সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, land.gov.bd ভূমিসেবা কাঠামো থেকে অথবা সরাসরি jm.lams.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে জলমহাল ইজারার জন্য আবেদন দাখিল করা যাবে। জলমহাল ইজারার আবেদন অনলাইনে দাখিল ও ইজারা প্রক্রিয়ার বিস্তারিত ওই ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।

বিল, হাওর, বাওর, নিম্ন জলাভূমি ও নদ-নদীতে মৎস্য আহরণের এলাকাকে জলমহাল বলা হয়। এক হিসাব অনুযায়ী, ছোট-বড় মিলিয়ে দেশের জলমহালের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার।

পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি, ২০০৯ অনুযায়ী নিবন্ধিত ও প্রকৃত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি জলমহাল ইজারা পেতে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে, সাধারণ আবেদন জেলা ও উপজেলায় দাখিল করে। কিন্তু লক্ষ করা যাচ্ছে যে এখন চালু থাকা পদ্ধতিতে আবেদন দাখিল করায় আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল না করা হলে বাছাইকালে আবেদন বাতিল করা হয়।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, জলমহাল ইজারা গ্রহণের জন্য প্রতিযোগিতা, একাধিক সমিতির আবেদন দাখিলে নানাবিধ জটিলতার উদ্ভব ঘটছে। ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল পদক্ষেপ হিসেবে সায়রাতমহালসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে অনলাইনে ডেটাবেজ (ভূমি তথ্য ব্যাংক) তৈরি শেষ হয়েছে। অনলাইনে ই-নামজারিসহ ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। জলমহাল ইজারার আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া অনলাইনে চালু হলে আবেদন দাখিলসহ ইজারা প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসন সম্ভব হবে।

বিল, হাওর, বাওর, নিম্ন জলাভূমি ও নদ-নদীতে মৎস্য আহরণের এলাকাকে জলমহাল বলা হয়। এক হিসাব অনুযায়ী, ছোট-বড় মিলিয়ে দেশের জলমহালের সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার। এসব ইজারা দিয়ে বছরে প্রায় শতকোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়। বেশ কয়েকটি জলমহাল ঐতিহ্যবাহী ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে ইজারাবিহীন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের রামসাগর, সিরাজগঞ্জের হুরাসাগর। মাছ সংগ্রহের অভয়াশ্রম ঘোষিত জলমহালের মধ্যে আছে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর, মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওর।