
করোনাকালে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ১০ দিনের মশকনিধন অভিযান শুরু করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন। আজ শুক্রবার বিকেলে নগরের ২৭টি ওয়ার্ডে ফগার মেশিন দিয়ে মশকনিধন কার্যক্রমের মাধ্যমে এ অভিযান উদ্বোধন করা হয়।
এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি নগরবাসীর সচেতনতা কামনা করে বলেছেন, ডেঙ্গু মশার উৎস সন্ধান করে এ কার্যক্রম চলবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে নগরের কোথাও কোনো ডেঙ্গুবাহী মশার উৎসের সন্ধান পেলে সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগকে জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করার আহ্বান জানান মেয়র।
মশকনিধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র ছাড়াও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুহুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) তানভীর আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, করোনাকালে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলে আরেক বিপদের মুখে পড়তে হবে নাগরিকদের। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এরই মধ্যে নগরের দক্ষিণ সুরমায় ডেঙ্গু মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় আগামী ১০ দিন এই মশকনিধন অভিযান চলবে। এর আওতায় মশার ওষুধ ফগার মেশিন দিয়ে ছিটানো হবে। পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণাও চলবে। নগরবাসীকে তাঁদের বাসাবাড়ির ছাদ, ফুলের টব, এসির জমানো পানি, নারকেলের খোসা, টায়ার-টিউব কিংবা টিনের কৌটা ইত্যাদি স্থানে পানি জমে না থাকে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলেছে সিটি কর্তৃপক্ষ।
সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবারের অভিযানে সিটি কর্তৃপক্ষ কিছু গাড়িতে বহন করা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফগার মেশিন ব্যবহার করছে। ফলে কম সময়ে বেশি এলাকায় মশার ওষুধ ছিটানো যাবে। এ ছাড়া হাতে বহন করা ফগার মেশিন দিয়ে এডালটিসাইড ওষুধ ছড়ানো হচ্ছে। স্প্রে মেশিন দিয়ে লার্ভিসাইড ওষুধও ছিটানো হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ জন করে শ্রমিক টানা ১০ দিন মশকনিধনের এ অভিযানে যুক্ত থাকবেন।