বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যাবতীয় সম্পদ ও আয়ের উৎস অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে অনুষ্ঠিত কমিশনের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান-তদন্ত-২ শাখার উপপরিচালক মো. হারুনুর রশিদকে বিষয়টি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এর আগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করলেও এই প্রথম সম্পদ ও আয়ের উৎস খুঁজতে তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করছে দুদক।
দুদকের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, অনুসন্ধানে দেশে ও বিদেশে তারেক রহমানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে কোনো হিসাব আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে কিছু চিহ্নিত ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবেরও তথ্য নেবে দুদক। বর্তমানে জ্ঞাত কোনো আয় না থাকলেও লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন তারেক রহমান। তিনি বেশ কিছু ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন দুই সরকারের আমলে তারেক রহমান নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে অর্থ পাচার মামলায় তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতেই বিচারিক আদালত ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করে দুদক।