নীলফামারী জেলার ৬ উপজেলায় চীনফেরত ৩৫ জনকে তাঁদের নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময় ১৪ দিন শেষে ৩৪ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ১ মার্চ থেকে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অপরজনকেও কাল শনিবার ছাড়া হবে। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নীলফামারীর সিভিল সার্জন রণজিৎ কুমার বর্মণ।
চীনফেরত ৩৫ জনের মধ্যে রয়েছেন নীলফামারী জেলা সদরের ৮ জন, জলঢাকা উপজেলার ৬ জন, সৈয়দপুর উপজেলার ৪ জন, ডিমলা উপজেলার ৬ জন, ডোমার উপজেলার ৮ জন ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৩ জন।
নীলফামারীর সিভিল সার্জন রণজিৎ কুমার বর্মণ বলেন, জেলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে তাঁদের নিজ নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে (রোগ সংক্রমণের শঙ্কায় পৃথক রাখা) রাখা হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময় শেষে ৩৪ জনের দেহে করোনাভাইরাসের লক্ষণ না থাকায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একজন বাকি আছেন। তিনি গত ১ মার্চ থেকে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে আছেন। তিনি বলেন, ‘বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন। আমরাও গিয়ে তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলি।’
বাড়িতে কীভাবে রাখা হয়েছে? জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, তাঁরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিজ বাড়ির একটি কক্ষে থাকবেন। ওই সময়ের মধ্যে পরিবারের সদস্যরা তাঁদের সংস্পর্শে আসবেন না।
কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের পরিবারের কোনো সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার প্রয়োজন হয়নি বলে তিনি জানান।