প্রতিমন্ত্রী বললেন

ভূমি অফিস দুর্নীতির আখড়া

ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী সেমিনারে বলেছেন, ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়া। ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনি’ কথাটি ভূমি অফিস-সংশ্লিষ্ট মানুষজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে তিনি মন্তব্যও করেছেন।
গতকাল সোমবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত সেমিনারে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভূমি ও
সম্পত্তির অধিকার বিষয়ে ওই সেমিনার আয়োজন করে ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্মসূচি।
সেমিনারে ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটালাইজেশনই দুর্নীতি রোধের একমাত্র উপায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের যত দিন না দেখা-সাক্ষাৎ কমানো যাচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত দুর্নীতিও কমানো যাবে না।
অপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফেরদৌস জাহান। চারটি জেলার মুসলিম, হিন্দু ও সাঁওতাল নারীরা উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি পাচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখেছেন তিনি। তিনি বলেন, মুসলিম নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার হলেও পরিবারের অসহযোগিতার জন্য পান না। হিন্দু নারীদের বিয়ের সময় যৌতুক দেওয়া হয়। সাঁওতালদের মধ্যে যৌতুক প্রথা নেই। কিন্তু সাঁওতাল নারীরা সম্পত্তি পান না।
সেমিনারে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) উপদেষ্টা সারা হোসেন বলেন, ভূমি বণ্টনের সমস্যা মেটাতে সরকারের আইনগত সহায়তা কার্যক্রম কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। আর ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা কর্মসূচির পরিচালক ফস্টিনা পেরেরা বলেন, ভূমির জটিলতা মেটাতে মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয় বাড়ানো উচিত।