
হাইকোর্ট বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে নিয়ে আসা উচিত। এখনকার প্রজন্মকে এই ভাষণ শোনানো উচিত। ঐতিহাসিক এই ভাষণের আধেয় জানানো উচিত। সাতই মার্চকে ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’ ঘোষণা চেয়ে করা এক রিটের শুনানিতে আদালত এই অভিমত দেন।
আজ বুধবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ওই শুনানি হয়।
সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকেন্দ্রিক সরকারের পরিকল্পনা, ওখানে থাকা স্থাপনার বিষয়ে আগামী মঙ্গলবারের (১১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতো মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতে রিটের পক্ষে আবেদনকারী আইনজীবী বশির আহমেদ নিজেই শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম শাহ আলম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ সাতই মার্চকে ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা ও যে মঞ্চে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, সেই মঞ্চে তাঁর ওই আবক্ষ ভাস্কর্য নির্মাণ করাসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। এই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের ২০ নভেম্বর আদালত রুল দেন। রুলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে মঞ্চে সাতই মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন সেটি পুনর্নির্মাণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং সাতই মার্চকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না জানতে চাওয়া হয়। আজ বিষয়টি শুনানির জন্য আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে।