নদীপথে আনা বাঁশের ব্যবসা ঘিরে ঘাটজুড়ে কর্মচাঞ্চল্য

গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে নদীপথে ভাসিয়ে আনা হয় বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব ঘাটে বসে এসব বাঁশের বড় পাইকারি বাজার। বরাক, রেঙ্গুন, ডুলি, মুলি ও টেঙ্গরিসহ প্রায় ১২ থেকে ১৩ প্রজাতির বাঁশ এখানে আসে। এখান থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয় এসব বাঁশ, যা মাচা, বেড়া, ঘর নির্মাণ ও নানা গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়। বাঁশের এই বাণিজ্যকে ঘিরে প্রতিদিন ব্যস্ত সময় কাটে মাঝি, শ্রমিক, কারিগর ও ব্যবসায়ীদের। ছবিগুলো সম্প্রতি তারাব ঘাট থেকে তোলা।

গাজীপুর ও ময়মনসিংহ থেকে নদীপথে ভাসিয়ে আনা বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ ভিড়েছে তারাব ঘাটে
গাজীপুর ও ময়মনসিংহ থেকে নদীপথে ভাসিয়ে আনা বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ ভিড়েছে তারাব ঘাটে
দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নদীপথে আনা বাঁশ ঘাটে ভেড়াচ্ছেন শ্রমিকেরা
ঘাটে পৌঁছানোর পর প্রজাতি অনুযায়ী আলাদা করে সাজিয়ে রাখা হচ্ছে বাঁশ। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়।
নদীপথে আনা বাঁশের ভেলা বানিয়ে পাড়ে নিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকেরা।
ঘাটে ভেড়ানোর পর কাঁধে করে বাঁশ ট্রাকে তোলা হচ্ছে। সেখান থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়।
প্রজাতি ও আকার অনুযায়ী স্তূপ করে রাখা হচ্ছে বাঁশ। পাইকারি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী এখান থেকেই সরবরাহ করা হয়।
বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে চাঁই। মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হয় এটি
মাপ অনুযায়ী ফালি করে কেটে বাঁশ প্রস্তুত করছেন কারিগর। মাচা, বেড়া ও বিভিন্ন নির্মাণকাজে ব্যবহারের আগে এভাবেই প্রস্তুত করা হয়।
পানিতে ভাসমান বাঁশের স্তূপে বসে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছে দুই কিশোর।
নদীর তীরে বাঁশের গুদাম। তারাব ঘাটকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বাঁশের একটি বড় পাইকারি বাজার।