জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশালমিছিল। রোববার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশালমিছিল। রোববার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মশালমিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন। বিক্ষোভে সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিগত ১৭ বছরে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে একেবারে ভঙ্গুর করে দিয়ে গেছে। সেই ভঙ্গুর ব্যবস্থা থেকে বর্তমান সরকার এখনো দেশকে উদ্ধার করতে তো পারেইনি, বরং জনজীবনকে আরও অস্বস্তিতে ফেলছে।

রোববার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ছাত্র ফেডারেশনের এই বিক্ষোভ হয়। ছাত্র ফেডারেশন ক্ষমতাসীন বিএনপি জোটের অন্যতম শরিক গণসংহতি আন্দোলনের ছাত্রসংগঠন হিসেবে পরিচিত।

শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশে ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈকত আরিফ বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি না করেও সংকট সামাল দেওয়ার কয়েকটি উপায় সরকারের হাতে ছিল। কিন্তু সরকার বিকল্প না ভেবেই জনগণের ওপর মূল্যবৃদ্ধির ভার চাপিয়ে দিয়েছে, যা জনগণের নাভিশ্বাস তৈরি করেছে।

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যকর ভূমিকা কোথায়, সেই প্রশ্ন তুলে সৈকত আরিফ বলেন, হাসপাতাল থেকে স্টুডিও—কোথাও যদি মানুষ ও প্রতিষ্ঠান নিরাপদ না থাকে, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর দায়িত্ব পালন কোথায় করছেন, সেই প্রশ্ন উঠছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়সারা বক্তব্য নয়, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আল-আমীন রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে এই সরকারকে বলে দিতে চাই, বিপিসিসহ সরকার বিগত সময়ে যে মুনাফা করেছে, সেখান থেকে এখন জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিতে হবে। এখানে শুল্ক–কর কীভাবে কমিয়ে দাম সমন্বয় করা যায়, সেই পথ সরকারকে ঠিক করতে হবে।’

সমাবেশে সংগঠনটির ঢাকা মহানগরের নেতা তুহিন ফরাজি, ইয়াসিন খান, রিয়াজ হোসেন, আশিকুর রহমান, মাহমুদুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে মশালমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে আবার শাহবাগে এসে শেষ হয়।