বিক্ষোভে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ না পাওয়া বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ। আজ রোববার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে
বিক্ষোভে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ না পাওয়া বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ। আজ রোববার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে

ডিএজি-এএজি হিসেবে নিয়োগ না পাওয়া একদল বিএনপিপন্থী আইনজীবীর বিক্ষোভ

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ না পাওয়া বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের একাংশ বিক্ষোভ করেছেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আজ রোববার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা। তাঁদের ব্যানারে লেখা ছিল—‘ফ্যাসিস্ট, গুপ্ত, সুপ্ত ও সুশীলমুক্ত অ্যাটর্নি অফিস চাই’ এবং ‘ফোরামের ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই’।

এর আগে ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদে এবং ১৭৯ আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়।

সমাবেশে আইনজীবীরা অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ও জেলজুলুমের শিকার যোগ্য অনেক আইনজীবী নিয়োগবঞ্চিত হয়েছেন। দলের নিবেদিত কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বিগত সময়ে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারীরা মূল্যায়িত হননি। ১৭ বছর যাঁরা আন্দোলনে ছিলেন, তাঁদের অ্যাটর্নি অফিসে নেওয়া হয়নি। বিভিন্ন বিনিময়ের কারণে ফ্যাসিস্ট, গুপ্ত ও সুপ্তরা এখানে মূল্যায়িত হয়েছে।

অ্যাটর্নি অফিসে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের যাঁরা বিএনপি করেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানান এক আইনজীবী। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন নেই বলে সমাবেশে উল্লেখ করেন আরেক আইনজীবী। দলের বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়াদের অবিলম্বে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আহ্বান জানান সমাবেশে অংশ নেওয়া এক আইনজীবী। এ ছাড়া ‘গুপ্ত-সুপ্তদের’ অবিলম্বে বাদ দিয়ে প্রকৃত নেতা-কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান অপর এক আইনজীবী।

সমাবেশে আইনজীবী আক্তার হোসেন, এস এম আমিনুল ইসলাম, শরীফ ইউ আহমেদ, আইয়ূব আলী আশরাফী, মো. মাসুদ রানা, আশিকুজ্জামান নজরুল, মো. ইসা, এ বি এম ইব্রাহীম খলিল, বিশ্বনাথ কর্মকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।