দাম বাড়ানোর ঘোষণার এক দিনের মাথায় বিদ্যুতের দামে সংশোধন করা হলো। আবাসিক খাতে প্রথম দুটি শ্রেণির গ্রাহকেরা আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবেন। নিম্ন আয়ের মানুষদের বাড়তি দাম থেকে রেহাই দিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বিতরণ সংস্থার ঘাটতি পূরণে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাম সংশোধনের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিকে প্রান্তিক গ্রাহকদের ০-৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন শ্রেণি ও প্রথম ধাপের ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীর জন্য আগের দাম পুনর্বহাল করতে বিতরণ সংস্থাগুলো আবেদন করেছে। এ আবেদন বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম কার্যকর না করে আগের দাম বহাল রাখা হলো। এতে বিদ্যুতের গড় দাম ১০ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে কমে ১০ টাকা ৪০ পয়সা হয়েছে।
বিইআরসির আদেশে গত বুধবার আবাসিকে প্রান্তিক গ্রাহকদের (০-৫০ ইউনিট) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৫ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের চেয়ে ৬৯ পয়সা বেশি। এতে মাসে তাঁদের বিল বাড়ত ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা। ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য ইউনিটপ্রতি নতুন দাম ৬ টাকা ১৮ পয়সা। এই শ্রেণিতে বাড়ানো হয় ৯২ পয়সা। মাসে বিল বাড়ত ৬৯ টাকা।
এই দুই শ্রেণির গ্রাহকেরা সাধারণত একাধিক বাতি ও একটি বা দুটি ফ্যান ব্যবহার করেন। মোট বিদ্যুৎ গ্রাহকের ৬৫ শতাংশ এই দুই শ্রেণির ব্যবহারকারী। আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে তারা। এখন এ দুটি ধাপের দাম আগের মতোই রাখা হলো।
ফলে আবাসিকে ‘লাইফলাইন’ শ্রেণির গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা ও প্রথম ধাপের ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর দাম প্রতি ইউনিট ৫ টাকা ২৬ পয়সা থাকছে।