যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) ২০২৭ সালের র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ স্থান পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। র্যাঙ্কিংয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৩৬তম। বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), তাদের র্যাঙ্কিং ১৭৯তম। বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবার শেষে অবস্থান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের।
৩ নভেম্বর নিজেদের ওয়েবসাইটে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’ প্রকাশ করেছে কিউএস। এই র্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়।
একাডেমিক সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত, গবেষণার মান ও প্রভাব, পিএইচডিধারী শিক্ষক, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাতসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে কিউএসের র্যাঙ্কিং নির্ধারিত হয়। এবারের র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১০০ নম্বরের মধ্যে ৬৪ দশমিক ৭০ স্কোর করেছে। বুয়েটের স্কোর হচ্ছে ৫৭ দশমিক ৮০।
গত বছরের র্যাঙ্কিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম এবং বুয়েট দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। সামগ্রিক র্যাঙ্কিংয়ে গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৩২তম, বুয়েট ছিল ১৬৫তম। এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে থাকলেও সামগ্রিকভাবে পিছিয়েছে।
বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থান পেয়েছে বেসরকারি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ। তাদের স্কোর হচ্ছে ৩২ দশমিক ৪০, র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ৫০৪তম। ৩১ দশমিক ২০ স্কোর নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি—বাংলাদেশ (এআইইউবি)।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বাংলাদেশের আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে। তবে তাদের সামগ্রিক স্কোর উল্লেখ করেনি কিউএস। এর মধ্যে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অবস্থান ৭৮১–৭৯০। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের অবস্থান ৮৫১–৯০০। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অবস্থান ১১০১–১২০০, ইউল্যাব ১২০১–১৩০০ ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০১–এর পরে।