ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচ থেকে নাজমিন বেগম (২০) নামের এক রোগীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নাজমিন হাসপাতালের অষ্টম তলার ৮০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। তিনি কিডনি ও লিভারের অসুখে ভুগছিলেন। হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে মা–বাবা ছিলেন।
নাজমিন বেগমের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ১ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর স্বামী একই উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক রায়হান ব্যাপারী। তাঁদের চার মাস বয়সী এক ছেলে আছে।
নাজমিনের বাবা জালাল খন্দকার বলেন, ২০২১ সালে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। নাজমিন কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এর আগেও তাঁর চিকিৎসা করানো হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর স্বামী হাসপাতালে আসেননি।
জালাল খন্দকার আরও বলেন, তিনি ওয়ার্ডে মেয়েকে রেখে একটি রিপোর্ট আনতে বাইরে যান। এ সময় নাজমিন তাঁর মা শিল্পী বেগমের কাছে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে বের হন। পরে তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে বাইরে হইচই শুনে গিয়ে দেখেন, হাসপাতালের পেছনের দিকে তাঁর মেয়ে পড়ে আছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানা গেছে, এতে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, মেয়েটি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহবাগ থানাকে জানানো হয়েছে।