রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত

এক দিনের রিমান্ডে বাসের তত্ত্বাবধায়ক ও চালকের সহকারী

চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত
ফাইল ছবি: প্রথম আলো

রাজধানীর রামপুরায় গত সোমবার রাতে বাসচাপায় শিক্ষার্থী মাইনুদ্দিন ইসলাম নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অনাবিল পরিবহনের গ্রেপ্তার হওয়া তত্ত্বাবধায়ক (সুপারভাইজার) ও বাসচালকের সহকারীর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত বুধবার এ আদেশ দেন। প্রথম আলোকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সেলিম রেজা।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলেছে, চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া মাইনুদ্দিন ইসলাম নিহত হওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক গোলাম রাব্বি ও চালকের সহকারী চান মিয়াকে আজ আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে রামপুরা থানা–পুলিশ। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত তাঁদের দুজনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে বাসে আগুন দেওয়ার পৃথক মামলায় আদালত শহীদ ব্যাপারী নামের এক আসামির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানান এসআই মোহাম্মদ সেলিম রেজা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে নিহত হন মাইনুদ্দিন। তাঁর বাবা রামপুরায় চায়ের দোকান চালান। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাইনুদ্দিন ছোট। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

মাইনুদ্দিন নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর মা রাশিদা বেগম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া মাইনুদ্দিন নিহত হওয়ার জেরে ক্ষুব্ধ লোকজনের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, পূর্ব রামপুরার প্রধান সড়ক পার হওয়ার সময় বাড্ডার দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা অনাবিল পরিবহনের একটি বাস মাইনুদ্দিনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।

এ ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি বলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়। আর মাইনুদ্দিনকে চাপা দেওয়া বাসের চালক সোহেল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে আদালতকে জানায় পুলিশ।