করোনাকালীন বিষাদের ৪৩ শিল্পকর্ম

লিথোগ্রাফ, সায়ানোটাইপ, পেনসিল স্কেচ, জলরংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে করা শিল্পকর্মে বলা হয়েছে নিজেকে খুঁজে ফেরার গল্প। সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইএমকে সেন্টারে
ছবি: সংগৃহীত

করোনাকালে একজন শিল্পীর আত্ম-অন্বেষণের গল্প ফুটে উঠেছে—এমন ৪৩টি শিল্পকর্মের প্রদর্শনী চলছে রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে। ‘অন্বেষণ’ শিরোনামে শিল্পী সুবর্না মোর্শেদার এটি তৃতীয় একক প্রদর্শনী।

১৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। লিথোগ্রাফ, সায়ানোটাইপ, পেনসিল স্কেচ, জলরংসহ বিভিন্ন মাধ্যমে করা শিল্পকর্মে বলা হয়েছে নিজেকে খুঁজে ফেরার গল্প।

শিল্পী সুবর্না মোর্শেদা বলেন, একটা শিল্পকর্ম অনেক সময় শিল্পীর মনোজগতের অবস্থান বোঝায়। করোনাকালে কিছু ব্যক্তিগত বিষাদ রঙিন জীবনকে সাদাকালো করে দেয়। এ সময় আশপাশের ঘটনাগুলো নিজের মনের অবস্থা অনুযায়ী ফুটে উঠেছে শিল্পকর্মগুলোতে।

গ্যালারিতে শিল্পকর্মগুলো ভাগ করা হয়েছে ‘মেলানকোলিক’, ‘যাপিত জীবন’, ‘শূন্য’, ‘গাছেদের গল্প’ শিরোনামে

ইএমকে সেন্টারের গ্যালারিতে শিল্পকর্মগুলো ভাগ করা হয়েছে ‘মেলানকোলিক’, ‘যাপিত জীবন’, ‘শূন্য’, ‘গাছেদের গল্প’ শিরোনামে। প্রদর্শনীটি কিউরেট করেছেন দৃকের কিউরেটর রেজাউর রহমান। গ্যালারিতে প্রবেশের শুরুতেই চোখে পড়বে শিল্পকর্মের প্রেক্ষাপটের বয়ানসংবলিত লেখা।

সুবর্না মোর্শেদা বলেন, করোনাকালে বিশেষ করে বিধিনিষেধের সময় তাঁর নিজেকে খোঁজার তাগিদ আরও তীব্র হয়। এ সময় আশপাশে যা কিছু দেখেছেন, তার ভেতরই নিজেকে খোঁজার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া, ব্যক্তিগত কারণে বিধিনিষেধের আগে থেকেই নিজেকে অনেক বেশি আইসোলেশনে নিয়ে যান তিনি। ফলে একধরনের একাকিত্বের মধ্যে চলে আত্ম-অন্বেষণের কাজ, যা ফুটে উঠেছে শিল্পকর্মে।