
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা অনুমতিতে আবাসন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার দুপুরে এই ওয়ার্ড পরিদর্শনে গিয়ে ফকিরখালী এলাকায় এ কথা বলেন মেয়র তাপস।
দক্ষিণ সিটির ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডটি অনেকটাই নদীবেষ্টিত এলাকা। সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হলেও গ্রামের আবহে ঘেরা এলাকাটি উন্নয়নের ছোঁয়া সেভাবে লাগেনি। বর্ষা মৌসুমে এই ওয়ার্ডের বেশির ভাগ জায়গা পানিবেষ্টিত থাকে। তখন তাদের যাতায়াতের একমাত্র বাহন থাকে নৌকা বা সাঁকো। সেখানে এখনো পরিকল্পিত কোনো আবাসন গড়ে ওঠেনি। তবে গত কয়েক বছরে সেখানে বিভিন্ন আবাসন প্রতিষ্ঠান সাইনবোর্ড ঝুলিয়েছে। মূল ঢাকার সঙ্গে এই ওয়ার্ডের সংযোগের একমাত্র পথ ত্রিমোহিনী বাজারসংলগ্ন একটি সেতু।
সাপ্তাহিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে সংস্থার কর্মকর্তাদের নিয়ে আজ এই ওয়ার্ডে পরিদর্শনে যান দক্ষিণ সিটির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। এ সময় তিনি নৌকায় করে ত্রিমোহিনী গুদারাঘাট হতে দাসেরকান্দি, বালু নদের পাড়, কায়েতপাড়া বাজার, ঈদেরকান্দি ও ফকিরখালী এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে ফকিরখালী এলাকায় পৌঁছে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় মেয়র তাপস বলেন, এখানে কিছু আবাসন প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিনা অনুমতিতে জমি দখল করছে। যত্রতত্র অপরিকল্পিতভাবে তারা আবাসন করছে। যেখানে মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে। এই এলাকার জনগণ প্রতিবাদ জানিয়েও কূলকিনারা পাচ্ছে না, ফল পাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
দক্ষিণ সিটির মেয়র বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে আমাদের সম্পত্তি বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে যে এখানে ড্রেজিং (খননকাজ) বন্ধ করতে হবে। এখানে যত্রতত্র বিনা অনুমতিতে হাউজিং করা যাবে না। প্রয়োজন হলে ওই প্রতিষ্ঠানের যান, যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি আমরা বাজেয়াপ্ত করব।’
এ সময় দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, সচিব মো. আকরামুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী বোরহান উদ্দিন, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।