‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে পিআইবি আয়োজিত প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। পাশে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ (ডানে)। তথ্য ভবন, ঢাকা। ১৫ জুন ২০২৬
‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে পিআইবি আয়োজিত প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। পাশে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ (ডানে)। তথ্য ভবন, ঢাকা। ১৫ জুন ২০২৬

‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে পিআইবির প্রদর্শনী

‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর সার্কিট হাউস সড়কে অবস্থিত তথ্য ভবনে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

উদ্বোধনের পর তথ্যমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রদর্শনীর নানা দিক বিস্তারিতভাবে তাঁর কাছে তুলে ধরেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। পরে প্রদর্শনী সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাকশাল প্রবর্তনের বছরের (১৯৭৫ সাল) ১৬ জুন চারটি পত্রিকা রেখে বাকিগুলোর অনুমোদন বাতিল করা হয়। একযোগে দেশের সিংহভাগ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের মতো ব্যক্তিত্বের পতনের অন্যতম কারণ। এভাবেই তিনি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। পিআইবি সে সময়ের সংবাদপত্রে বিষয়গুলো কীভাবে উঠে এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে প্রদর্শনী করেছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্ম এখান থেকে নানা বিষয় জানার সুযোগ পাবে।’

অনুষ্ঠানে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বেলায় আদি পাপ ছিল ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন জারি করা সংবাদপত্র ঘোষণা (সংশোধন) অধ্যাদেশ। যদি বহুদলীয় গণতন্ত্র বিকশিত করতে হয়, তাহলে বহু মত ও পথের সংবাদমাধ্যমের পথও সুগম রাখতে হবে।’

এদিকে ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’ উপলক্ষে ‘যেদিন বাংলাদেশ দৃষ্টি খোয়ালো, কণ্ঠ হারালো’ নামের একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছে পিআইবি। পুস্তিকাটি লিখেছেন ফারুক ওয়াসিফ। কীভাবে সংবাদপত্রের কালো দিবসের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল এবং বাকশাল প্রবর্তনের সময় গণমাধ্যমের অবস্থা কেমন ছিল—এসব বিষয় সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এলে স্বাধীন সাংবাদিকতার সূচনা, পিআইবি প্রতিষ্ঠা, প্রেসক্লাব ও প্রেস কাউন্সিল গঠন নিয়েও পুস্তিকাটিতে আলোচনা করা হয়েছে।