
রাজধানীর খিলগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় আবির হোসেন (২৭) নামের এক যুবক মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, ঘটনার সময় তিনি মুঠোফোন কানে রেললাইন পার হচ্ছিলেন।
এক স্বজনের সূত্রে জানা গেছে, আবির অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সপরিবার খিলগাঁওয়ের শাহি মসজিদের পাশে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে। তাঁর দুটি ছেলে রয়েছে।
আবিরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার সময় তাঁরা কয়েকজন বেসরকারি খিদমা হাসপাতালের সামনে রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন ওই যুবক মুঠোফোন কানে কথা বলছিলেন আর রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় কমলাপুর থেকে একটি ট্রেন আসে।
আবু সাঈদ বলেন, ট্রেন আসতে দেখে তাঁরা অনেকে চিৎকার করে ওই যুবককে সরে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি রেললাইন থেকে সরেননি। তাঁর ধারণা, আবির হয়তো তাঁদের চিৎকার শোনেননি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, বেলা সোয়া তিনটার দিকে আবিরকে হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে। আবিরের খালাতো ভাই জাকির হোসেন তাঁর লাশ শনাক্ত করেছেন।
জাকির হোসেন বলেন, আবিরের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলার কুমড়াখালী গ্রামে। তাঁর বাবার নাম চান মিয়া ব্যাপারী।
এর আগে ১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মালিবাগে কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান আবদুর রহমান (৫০) নামের এক ব্যবসায়ী।