
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে এই মেলা শুরু হয়ে চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। সাত দিনব্যাপী এ মেলায় থাকবে ঐতিহ্যবাহী উপকরণ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প উদ্যোক্তাদের তৈরি নানা পণ্য, বৈশাখী সাজসজ্জা, মাটির পণ্য, নকশিকাঁথা এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমাহার।
আজ সোমবার বাংলা একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বিসিকের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। এ সময় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় পাওয়া যাবে কৃষিজাত দ্রব্য, কারুপণ্য, লোকজ পণ্য, পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য। থাকবে জামদানি, শতরঞ্জি ও শীতলপাটির মতো জিআই পণ্য। এছাড়া কুটির শিল্পজাত সামগ্রী, হস্ত ও মৃৎশিল্পজাত পণ্য, খেলনা, রূপসাজসজ্জার সামগ্রী এবং বিভিন্ন লোকজ খাদ্যদ্রব্য।
আয়োজকদের মতে, মেলায় মোট ১৬০টি স্টল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়াজাত পণ্যের ৭টি, জামদানির ৬টি, নকশিকাঁথার ৪টি, বস্ত্রের ৪৪টি, শতরঞ্জির ৫টি এবং মণিপুরি শাড়ির ২টি স্টল। এছাড়াও কারুশিল্পী জোন, শিশুদের রাইড ও বিনোদন জোন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য ১৩টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে। প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ২টি এবং কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১টি স্টল বিনামূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, নববর্ষকে উৎসবমুখর করতে ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ থেকে বিসিক ও বাংলা একাডেমি যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করে আসছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করা হবে। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।