
পেছন থেকে প্রাইভেট কারকে ধাক্কা দেয় সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা। এতে কারের চালক আবু হানিফ রানা ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ি থেকে নেমে অটোরিকশাটির সামনের কাচের ওপর বেশ কয়েকবার হাত দিয়ে আঘাত করেন। এতে কাচ ভেঙে তাঁর হাতের রগ কেটে যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
আজ বেলা পৌনে একটার দিকে গুলশান–১ নম্বরে প্রাইভেট কার ও অটোরিকশার ধাক্কার ঘটনাটি ঘটে। হানিফ রাজধানীর একটি আবাসন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের গাড়ির চালক ছিলেন।
ঘটনার সময় প্রাইভেট কারে হানিফের সহকর্মী আলমগীর হোসেন ছিলেন। তিনি ঢাকা মেডিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, আজ বেলা পৌনে একটার দিকে গুলশান–১ নম্বরের কাছে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা পেছন থেকে তাদের বহন করা প্রাইভেট কারকে জোরে ধাক্কা দেয়। এতে হানিফ ক্ষুব্ধ হয়ে গাড়ি থেকে নেমে অটোরিকশাটিকে আটক করে। কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে হানিফ ডান হাত দিয়ে অটোরিকশার সামনের কাচের ওপর একাধিকবার আঘাত করেন। এতে কাচ ভেঙে তাঁর ডান হাতের রগ কেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, হানিফ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা তিনটার দিকে মারা যান। ঘটনাটি গুলশান থানাকে জানানো হয়েছে।
খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেলে ছুটে যান হানিফের মামা আলমগীর হোসেন ও বোন সুলতানা বেগম। লাশ দেখে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁরা বলেন, হানিফের স্ত্রী ও ছোট দুটি মেয়ে রয়েছে। তারা বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কুমলাইয়ে থাকে। হানিফ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।