
রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীরা আজ বুধবার সকালে কর্মবিরতি শুরু করেন। এতে বিপাকে পড়েন রোগীরা।
আজ সকাল আটটায় এই কর্মবিরতি শুরু হয়। দুপুর ১২টায়ও কর্মবিরতি চলছিল। আন্দোলনকারীরা বলেন, তাঁরা করোনা মহামারিকালে, ২০২১ সালে, আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ পান। এখন তাঁরা ঠিকাদারের অধীন যেতে চান না। আউটসোর্সিং থেকে ঠিকাদারের অধীন গেলে তাঁরা নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন।
কর্মবিরতি পালন করা ফারজানা আক্তার বলেন, তিনি এই হাসপাতালে আয়া হিসেবে কাজ করছেন। তিনিসহ আন্দোলনকারীরা আগের মতো আউটসোর্সিংয়ে হাসপাতালে থাকতে চান। তাঁরা ঠিকাদারের অধীন যেতে চান না। তাঁর দাবি, ঠিকাদারের অধীন গেলে তাঁদের নানা সমস্যা হবে। চাকরি নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হবে।
আরেক আন্দোলনকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ওয়ার্ডম্যান হিসেবে কাজ করছেন। তিনিসহ অন্য আন্দোলনকারীদের একটাই দাবি, তাঁরা ঠিকাদারের অধীন যেতে চান না। কারণ, ঠিকাদারের অধীন যখন–তখন চাকরি চলে যেতে পারে। বেতনসহ অন্য সুযোগ–সুবিধা কমে যেতে পারে।
কর্মচারীদের এই কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে রোগীরা বিপাকে পড়েন। তাঁরা ঠিকমতো সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেন।
নোয়াখালী থেকে নাতনি জান্নাত বেগমকে (৮ মাস) নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এই হাসপাতালে আসেন নানা আবদুর বর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর নাতনির অবস্থা খারাপ। তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। একটু আগে চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু পরীক্ষার জন্য যাওয়ার পর দায়িত্বে থাকা লোকজন বলছেন, আজ হবে না। যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা নাকি কর্মবিরতি পালন করছেন।