ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথমা বইমেলা শুরু

গুলশান-বনানীর পাঠকদের হাতের নাগালে বইয়ের সম্ভার

রাজধানীর গুলশান-বনানীর বাসিন্দাদের হাতের নাগালে বই নিয়ে আসতে শুরু হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক-প্রথমা বইমেলা।

আজ বুধবার রাজধানীর বীর উত্তম মীর শওকত সড়কে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দুই দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করা হয়।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান এবং প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নিচতলার খোলামেলা পরিসরের একপাশে বইয়ের র‍্যাক ও টেবিল সাজিয়ে সুদৃশ্য স্টলের আদলে তৈরি করা হয়েছে নানা ধরনের বইয়ের প্রদর্শনী

এ সময় প্রথমার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মেরিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আবদুল মোমেন, চিফ কমিউনিকেশন অফিসার ইকরাম কবীর।

ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নিচতলার খোলামেলা পরিসরের একপাশে বইয়ের র‍্যাক ও টেবিল সাজিয়ে সুদৃশ্য স্টলের আদলে তৈরি করা হয়েছে নানা ধরনের বইয়ের প্রদর্শনী।

পাঠকেরা এখান থেকে তাঁদের পছন্দের বইটি বেছে নিতে পারবেন। প্রথমা প্রকাশনসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রকাশনীর বাংলা ও ইংরেজি ভাষার নানা বই এখানে রয়েছে।

বইমেলা সবার জন্য প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

সৃজনশীল সাহিত্য থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, গবেষণা, ভ্রমণ, অনুবাদের বৈচিত্র্যময় গ্রন্থের সম্ভার নিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইমেলা।

বিক্রয় প্রতিনিধিরা জানান, প্রথমার বইয়ে ২৫ শতাংশ, বিদেশি বইয়ে ৫ শতাংশ আর ব্র্যাক ব্যাংকের কিউআর ব্যবহার করলে আরও অতিরিক্ত ২ শতাংশ ছাড়ে বই কেনা যাবে। দেশের অন্যান্য প্রকাশনীর বইয়ে থাকছে ২০ শতাংশ ছাড়।

মেলা সবার জন্য প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মেলা চলবে।

সকাল থেকেই ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মীরা মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় করছিলেন। কেউ ঘুরে ঘুরে বই দেখছিলেন। কেউ কিনেছিলেন।

মেলা চলবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত

এ সময় কথা হয় ব্যাংকটির মানবসম্পদ বিভাগের অনুপমা জামানের সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দিনের কর্মব্যস্ততা কাটিয়ে আলাদা করে বই কিনতে যাওয়ার সময় বের করা বেশ কষ্টকর। হাতের নাগালে এভাবে বই চলে আসাটা বেশ সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। দুদিন অফিসে ওঠানামার সময় বই নেড়েচেড়ে দেখতে পারবেন তিনি। বিষয়টি আনন্দের।