গ্রেপ্তার অপহরণ চক্রের এক পরিবারের চার সদস্য
গ্রেপ্তার অপহরণ চক্রের এক পরিবারের চার সদস্য

মায়ের সামনে থেকে শিশু অপহরণের ঘটনায় দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের সামনে থেকে তিন বছরের এক শিশুকে অপহরণের মামলায় অটোরিকশাচালক চান মিয়া ও তাঁর বাবা নূর মোহাম্মদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। একই সঙ্গে চান মিয়ার মা চান মালা এবং চান মিয়ার ছোট ভাই জাকিরের স্ত্রী কুলসুমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আজ শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল আলম আসামিদের আদালতে হাজির করেন। তাঁদের মধ্যে চান মিয়া ও নূর মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় সেটি রেকর্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে চান মালা ও কুলসুমকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বাকি দুই আসামি চান মালা ও কুলসুমকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন একই আদালত।

এর আগে ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় রংপুর র‍্যাব-১৩–এর সহযোগিতায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর উত্তর মান্ডার মাহিমের গ্যারেজ থেকে চান মিয়ার ছোট ভাই জাকিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে বিকেলে জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২৮ জানুয়ারি বেলা একটার দিকে মুগদা হাসপাতালের ফটকের বাইরে শিশুটিকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় রেখে তার মা একটি দোকান থেকে পানি কেনার সময় চালক শিশুটিকে নিয়ে উধাও হয়ে যান। এ ঘটনায় মুগদা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন শিশুটির মা সুমাইয়া আক্তার।