গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার

ক্র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

নরসিংদীর মাধবদীতে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আলাল সরকার, মো. রনি মিয়া ও মোহাম্মদ রিফাত মিয়া। মঙ্গলবার নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারী সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোমবার সন্ধ্যায় সংগঠনের ‘ফ্যামিলি ডে’ অনুষ্ঠানে ক্র্যাব সদস্যরা নরসিংদীর মাধবদী ড্রিম হলিডে পার্কে পিকনিক করতে যান। পিকনিক শেষে ক্র্যাব সদস্যরা পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফেরার সময় ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে তাঁদের বাসগুলো সাময়িক সময়ের জন্য পার্ক করা হয়।

এ সময় স্থানীয় একদল দুর্বৃত্ত বাস পার্কিংয়ের অজুহাতে সাংবাদিকদের কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপর লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১২ জন সাংবাদিক আহত হন। ওই ঘটনায় ক্র্যাবের আহত সদস্য এস এম ফয়েজ বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মঙ্গলবার ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা পরিকল্পিত। চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনা প্রমাণ করে সন্ত্রাসীরা কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ বলেন, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এ ছাড়া ড্রিম হলিডে পার্কের সামনের ওই ঘটনায় স্থানীয় চাঁদাবাজদের তালিকা করে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

ক্র্যাব সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশন (র‌্যাক), আইন, বিচার, মানবাধিকার ও সংবিধানবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ), বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম, পলিটিক্যাল রিপোর্টার ফোরামসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।