রাজধানীর সবুজবাগে এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম নিলুফার ইয়াসমিন (২৯)। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তিনি মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন।
নিলুফার ইয়াসমিনের স্বামী আনোয়ার হোসেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই)। তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত। প্রায় ১৪ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
সবুজবাগ থানা–পুলিশ জানায়, আজ রোববার ভোরে আনোয়ার হোসেন ও নিলুফার ইয়াসমিনের কথা হয়। এর পর থেকে আনোয়ার ফোন দিয়েও স্ত্রীকে পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি জানানোর পর সবুজবাগ থানার এসআই ফাতেমা ওই বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি বাসার দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে দরজা খুলে ভেতরে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত নিলুফারের মরদেহ উদ্ধার করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময়ে ফাঁস দেন নিলুফার।
নিলুফারের এক খালাতো ভাই হাসপাতালে প্রথম আলোকে বলেন, নিলুফার দক্ষিণগাঁও শাহীবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় সাত বছর বয়সী মেয়ে আফিয়াকে নিয়ে থাকতেন। তাঁদের ১০ বছর বয়সী ছেলে আরাফাত একটি আবাসিক মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে।
স্বামী আনোয়ার হোসেনের বরাত দিয়ে পুলিশ বলেছে, নিলুফার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সহজেই মানসিক দুশ্চিন্তায় ভুগতেন। বিশেষ করে ছেলের লেখাপড়া নিয়ে তিনি বেশ উদ্বিগ্ন ছিলেন। এসব কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে তাঁর ধারণা।
নিলুফারের গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বিক্রবিল গ্রামে। তাঁর বাবার নাম নুর ইসলাম।