
রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বয়ামে লুকিয়ে আনা হীরা, প্লাটিনাম ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস। এ ঘটনায় যাত্রী মো. জনি রহমানকে আটক করে পরে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে কলকাতা থেকে ওই যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। পরে তাঁর লাগেজ তল্লাশি করে অলংকারগুলো উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস জানিয়েছে, উদ্ধার করা এসব অলংকার ও মূল্যবান পাথরের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
আজ রোববার ঢাকা কাস্টম হাউসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঢাকা কাস্টম হাউস জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের প্রতিরোধ দল বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি বাড়ায়। ইমিগ্রেশন শেষে ব্যাগেজ ঘোষণা না দিয়ে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় ওই যাত্রীর ব্যাগ স্ক্যান করা হয়। স্ক্যানিংয়ে তাঁর ব্যাগেজে থাকা আচারের বয়ামের ভেতর ধাতব বস্তুর অস্তিত্ব ধরা পড়ে। পরে ব্যাগেজ খুলে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অলংকার ও মূল্যবান পাথর পাওয়া যায়।
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা পণ্যের মোট ওজন ১ হাজার ৫৪ গ্রাম। এর মধ্যে রয়েছে ১৮ ক্যারেটের হীরা বসানো ৩৮৯টি সোনার আংটি, ৯৫০ মানের প্লাটিনামের ১৫১টি আংটি, সাদা সোনার (হোয়াইট গোল্ড) ৩টি গয়না, রুপার ২টি আংটি, সোনার ৫টি লকেট, ১টি চেইন ও ৪৭২টি নাকফুল। এ ছাড়া ৪৫ ক্যারেট ওজনের বিভিন্ন আকারের হীরা, রুবি, পোখরাজসহ ৭২০টি মূল্যবান পাথর এবং গয়নার সত্যতা যাচাইয়ের ২৩টি প্রত্যয়ন কার্ড জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অলংকারের প্রত্যয়ন অনুযায়ী জব্দ করা পণ্যের বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় কাস্টম হাউসের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থানায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীর বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।