লাশ
লাশ

কামরাঙ্গীরচরে সহকর্মীদের মারামারি থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল রাজমিস্ত্রির

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের মাহাদীনগরে সহকর্মীদের মারামারি থামাতে গিয়ে এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মারধরের শিকার হয়ে সাকিল উদ্দিন ওরফে সাকিব (৩০) নামের ওই যুবকের মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সাকিলের সহকর্মী মুনছুর আলী প্রথম আলোকে বলেন, সকালে মাহাদীনগরের ১৮ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি সাকিল। সকাল আটটার দিকে ওই ১০ তলা ভবনের তিনতলায় জাহাঙ্গীর ও ইয়াসিন নামের দুজনের মধ্যে কাজ ভাগাভাগি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে মারামারি বেধে গেলে সাকিল তা থামাতে যান। এ সময় ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে সাকিলের শরীরে ঘুষি ও জোরে একটি ধাক্কা লাগে। এতে তিনি মেঝেতে জমে থাকা বালুর ওপর পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিলকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

সাকিলের বাড়ি নোয়াখালী সদর উপজেলার মাইজদীর ভাটির টেক এলাকায়। তাঁর বাবার নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি কামরাঙ্গীরচরের মাহাদীনগর বালুর মাঠ এলাকায় থাকতেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, হামলাকারী দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সাকিলের স্ত্রী-সন্তান গ্রামের বাড়িতে থাকেন। তাঁর স্ত্রীকে খবর পাঠানো হয়েছে। তিনি ঢাকায় এসে স্বামী হত্যার ঘটনায় মামলা করবেন।