
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাসহ চার আসামির বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত এই আদেশ দেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, প্রধান আসামি আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বংশাল থানার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক মো. রায়হান উদ্দিনের (৩৫) চার দিন এবং অপর তিন আসামি রাসেল খান (৩২), আলা উদ্দিন (২৮) ও আব্দুল্লাহ মাসহুর আশরাফীর (২০) দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুণ অর রশিদ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির ওয়ারী জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আসামিদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত পৃথক মেয়াদে আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আসামিদের নির্দোষ দাবি করে রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন।
মামলার নথি ও রিমান্ড আবেদন সূত্রে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ইবাদুর রহমান (৩৪) নামের এক ব্যক্তি আহত হন। পরে ভিডিও দেখে একজনকে শনাক্ত করে ১৯ সেপ্টেম্বর বংশাল এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে রায়হান উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাল রঙের স্কচটেপে মোড়ানো চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়, যা ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল (বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট) নিষ্ক্রিয় করে।
পরে রায়হানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেমরা থানার ডগাইরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল, আলা উদ্দিন ও আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। ককটেল বিস্ফোরণের এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা বাদী হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি করেন।