অনলাইন শপিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে দেশের অন্যতম দেশীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘কার্টআপ’
অনলাইন শপিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে দেশের অন্যতম দেশীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘কার্টআপ’

ডিজিটাল কেনাকাটায় আস্থা ফিরিয়ে আনছে ‘কার্টআপ’

প্রতিদিনের ব্যস্ততা, যানজট আর সময়ের সংকটে বাজারে গিয়ে কেনাকাটা অনেকের কাছেই এখন বাড়তি ঝামেলা। এমন বাস্তবতায় অনলাইন শপিংয়ের অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে দেশের অন্যতম দেশীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ‘কার্টআপ’।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করা কার্টআপ ২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশের অনলাইন কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ করতে কাজ করছে। সাশ্রয়ী দামে ব্র্যান্ডের পণ্য দ্রুত ডেলিভারি এবং সহজ অনলাইন শপিং অভিজ্ঞতা—এই তিনটি বিষয় সামনে রেখেই এগোচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।

কার্টআপে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিকস, লাইফস্টাইল, ফ্যাশন এবং গ্রোসারি পণ্যের বিস্তৃত সংগ্রহ রয়েছে। সাধারণ ক্রেতার প্রয়োজন মাথায় রেখেই তাদের পণ্য ও অফার সাজানো হয়েছে। বড় অঙ্কের কেনাকাটার জন্য নির্বাচিত পণ্যে রয়েছে শূন্য (০) শতাংশ ইএমআই সুবিধা।

সারা দেশে ডেলিভারির মাধ্যমে কার্টআপ এখন গ্রাহকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে প্রয়োজনীয় পণ্য। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে তাদের কাঙ্ক্ষিত পণ্য। আর রাজধানী ঢাকার ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ‘কার্টআপ ফাস্ট’ সেবা, যেখানে নির্দিষ্ট পণ্য অর্ডার করলেই রয়েছে পরের দিন ডেলিভারি–সুবিধা।

এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্যও রয়েছে বিশেষ সুবিধা, যেখানে প্রথম অর্ডারকারীরা পাচ্ছেন ২৫০ টাকার ডিসকাউন্ট ভাউচার। পাশাপাশি নিয়মিত ক্যাম্পেইন, ফ্ল্যাশ সেল ও আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফারের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য কেনাকাটাকে আরও সুবিধাজনক করে তুলছে প্ল্যাটফর্মটি।

ব্যবহারকারীর সুবিধাকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা কার্টআপ অ্যাপটি ইতিমধ্যে প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোর মিলিয়ে ১০ লাখের বেশি ডাউনলোড হয়েছে। সহজ নেভিগেশন, স্মুথ ব্রাউজিং এবং ঝামেলাহীন চেকআউটের কারণে অনলাইন কেনাকাটা হয়েছে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

এ ছাড়া পেমেন্টের ক্ষেত্রে রয়েছে নানা বিকল্প। গ্রাহকেরা বিকাশ, নগদ, উপায়, ভিসা, মাস্টারকার্ড, অ্যামেক্সসহ বিভিন্ন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি সারা দেশজুড়ে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাও রয়েছে।

কার্টআপের ডেলিভারি ও অপারেশন কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে রয়েছে তাদের ১২টি অপারেশনাল হাব এবং একটি কেন্দ্রীয় ওয়্যারহাউস। পাশাপাশি দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করতে কাজ করছেন ১৫০ জনের বেশি রাইডার, যাঁদের সহায়তায় রয়েছে ২০টির বেশি ভেহিকেল এবং ২০টির বেশি বাইক। এর পাশাপাশি আলাদা সেলার অ্যাপের মাধ্যমে পুরো সাপ্লাই প্রক্রিয়াকে রাখা হচ্ছে আরও গোছানো এবং কার্যকর।

গ্রাহকসেবার ক্ষেত্রেও কার্টআপ দিচ্ছে বাড়তি গুরুত্ব। রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অর্ডারের আপডেট জানা যায় সহজেই। কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে রয়েছে সাত দিনের রিটার্ন ও রিফান্ড সুবিধা। পাশাপাশি লাইভ চ্যাট, ফোন ও ই–মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকেরা সহায়তা পাচ্ছেন আরও দ্রুত।

কার্টআপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফুয়াদ আরেফিন বলেন, ‘বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য শুধু দ্রুত ডেলিভারি দেওয়া নয়, বরং দ্রুত ডেলিভারির সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যে একটি আস্থা তৈরি করা। বর্তমানে গ্রাহকদের থেকে আমরা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি এবং প্রতিদিনই অর্ডারের সংখ্যা বাড়ছে, যা গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন। এই আস্থা ধরে রাখতে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।’

সব মিলিয়ে কার্টআপ এখন শুধু একটি অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি ধীরে ধীরে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কেনাকাটার অভিজ্ঞতায় রূপ নিচ্ছে। সময় সাশ্রয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা তৈরি করা এবং কেনাকাটাকে আরও সহজ করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দেশীয় এই প্ল্যাটফর্ম।

নতুন সব আপডেট জানতে কার্টআপ অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারেন বা ভিজিট করতে পারেন তাদের ওয়েবসাইট