‘উই কেয়ার মোর’ স্লোগান নিয়ে বেসরকারি কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে
‘উই কেয়ার মোর’ স্লোগান নিয়ে বেসরকারি কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে

গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

রোগী সেবায় ধারাবাহিক আন্তরিকতা ও দায়বদ্ধতার পুনঃপ্রত্যয় নিয়ে গত সোমবার রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বেসরকারি কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে। হাসপাতালে বৃক্ষরোপণ, দোয়া ও মিলাদসহ নানা আয়োজনে দিনটি উদ্‌যাপন করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আজ সারা দিন হাসপাতালের লবিতে সবার জন্য প্রতিরোধমূলক প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা উন্মুক্ত ছিল। সেখানে উপস্থিত রোগী ও তাঁর সঙ্গে আসা সবাইকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের ভেতরে ২০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। বাদ আসর রোগীদের দীর্ঘায়ু কামনা করে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়।

আজ কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বোর্ড সদস্য, চিকিৎসক, নার্স, পরিচালক ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ২০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়।

এ সময় হাসপাতালের চেয়ারম্যান আহমেদ ইসমাইল হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে দুই দশকের নিবেদিত সেবা, চিকিৎসাগত উৎকর্ষ, উদ্ভাবন ও অঙ্গীকারের গৌরবময় ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করছে জেসিআই-স্বীকৃত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান কন্টিনেন্টাল হসপিটাল পিএলসি। হাসপাতালটি আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা, উন্নত প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক, দক্ষ স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার ও রোগীকেন্দ্রিক সেবাকে এক ছাদের নিচে একত্র করে উন্নত ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার একটি বিশ্বস্ত গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

গত ২০ বছরে কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অর্জিত বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য মাইলফলকের কথা তুলে ধরেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক তালহা ইসমাইল বারী। তিনি বলেন, সাড়ে ৮ লাখের বেশি নিবন্ধিত রোগীকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং ২ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি জরুরি রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২৩ হাজারের বেশি কার্ডিয়াক সার্জারি, ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ক্যানসার রোগীকে রেডিয়েশন থেরাপি দেওয়া, ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০-এর বেশি কিডনি রোগীর জন্য ডায়ালাইসিস সেবার মতো আরও অসংখ্য সেবা দিয়েছে এই হাসপাতাল।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এই সংখ্যার পেছনে রয়েছে একজন রোগী, একটি পরিবার এবং আস্থার এক গল্প। এই মাইলফলকগুলো সেবার প্রতি আমাদের আরও বেশি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করে। তাই আমাদের স্লোগান “উই কেয়ার মোর” (রোগীসেবায় আরও বেশি যত্ন)।’