
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতির সঙ্গে দেখা করতে আসা স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার চার দিন পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলা ছাত্রলীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক (২৫) এ জিডি করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ মে বিকেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাহমুদুল হাসান ওরফে তুষার গ্রামের বাড়ি সন্দ্বীপ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খাদ্যগুদাম সড়কসংলগ্ন বাড়িতে আসেন। তাঁর বাড়িতে আসার খবরে স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও তাঁর আত্মীয়স্বজন ঈদ-পরবর্তী কুশল বিনিময়ে আসতে থাকেন।
জিডিতে আরও বলা হয়েছে, ওমর ফারুক ও তাঁর কয়েক বন্ধু ওই ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। মাহমুদুল হাসানের বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে কয়েক সন্ত্রাসী তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা বাজি ফোটায়। হামলায় ওমর ফারুক ও আবুল খায়ের নামের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্র আহত হয়। আবুল খায়ের সরকারি হাজী এবি কলেজের ছাত্র।
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাহমুদুল হাসান ওরফে তুষার বলেন, ঈদ উপলক্ষে তিনি নিজ বাড়ি সন্দ্বীপে গিয়েছিলেন। খবর পেয়ে দলের নেতা-কর্মীরা তাঁর বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তাঁর বাড়িতে আসা নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী। এ সময় সন্ত্রাসীরা চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। তিনি তাঁর বাড়ির অদূরে অন্তত আটটি গুলির আওয়াজের মতো শব্দ শুনেছেন। বিষয়টি তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। এখন দেখার পালা, পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়।
হামলাকারী কারা ও কী কারণে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে, জানতে চাইলে মাহমুদুল হাসান বলেন, তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁর সঙ্গে স্থানীয় কোনো নেতার বিরোধ বা দ্বন্দ্ব নেই। এখন পুলিশের দায়িত্ব কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করা।
তদন্ত কর্মকর্তা ও সন্দ্বীপ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, ঘটনার পরদিন থেকে তাঁরা তদন্তকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হামলার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করা গেলে নিয়মিত মামলা হবে।