‘ঝক্কি–ঝামেলা’ এড়িয়ে বাড়ি যেতে পাটুরিয়ায় ভিড় জমিয়েছেন অনেকে

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট হয়ে বাড়ি যাচ্ছেন অনেকে। তবে ঘাটে তেমন চাপ ছিল না। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে পাটুরিয়ার তিন নম্বর ঘাট এলাকায়
ছবি: আব্দুল মোমিন

আগামীকাল শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবারও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া হয়ে বাড়ি যাচ্ছেন অনেকে। তবে এমন যাত্রীর সংখ্যা ছিল সীমিত। যাত্রাপথের ‘ঝক্কি–ঝামেলা’ এড়াতে পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন এসব যাত্রী।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অসংখ্য যাত্রী পাটুরিয়া ঘাট হয়ে বাড়িতে ফেরেন। তবে গত দুই দিন এই ঘাটে যাত্রীদের অস্বাভাবিক ভিড় ছিল। ফেরিতে ওঠা মানে যাত্রীদের কাছে ‘সোনার হরিণ’ হাতে পাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল। তবে আজ ঘাটে যাত্রী থাকলেও সংখ্যায় ছিল কম। প্রয়োজনীয়সংখ্যক ফেরি দিয়ে এসব যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৩৫) ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। থাকেন মোহাম্মদপুরে। আজ সকাল ১০টার দিকে একটি ভাড়া করা প্রাইভেটকারে স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে নিয়ে তিনি পাটুরিয়া ঘাটে আসেন। প্রাইভেটকারের ভাড়া দিয়ে হেঁটে ফেরির কাছে যাওয়ার সময় কথা হলে তিনি বলেন, ‘দূরপাল্লার বাস বন্ধ। সড়কে প্রচণ্ড চাপ। ফেরিঘাটেও যাত্রীর ভিড়।

সবকিছু মিলিয়ে এই ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে আজ বাড়ি যাচ্ছি।’

গত মঙ্গলবার পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কারখানা ছুটি দেওয়ায় গতকাল বুধবার পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ১৭টি ফেরি সব কটিই চালু রাখা হয়। এরপরও যাত্রীদের পারাপার করতে হিমশিম অবস্থায় পড়ে ফেরি কর্তৃপক্ষ। তবে আজ সেই পরিস্থিতি নেই। যাত্রীরা ঘাটে আসা মাত্রই ফেরিতে ওঠে নদী পার হচ্ছেন।

এদিকে আজ সকাল থেকে মানিকগঞ্জে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কেরও যাত্রী ও যানবাহনের চাপ নেই। লোকাল বাসে করে স্বাভাবিক অবস্থার মতো যাত্রী পাটুরিয়া যাচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জিল্লুর রহমান বলেন, আজ যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ নেই। এ কারণে পণ্যবাহী গাড়িগুলো পারাপার করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘাটে আসা যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে।