
আগামীকাল শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। তাই ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার প্রায় ২০ কিলোমিটার অংশে বিভিন্ন যানবাহনের চাপ রয়েছে। আজ সকাল থেকে ঘরমুখী যাত্রী পরিবহনে ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ড ভ্যানের পাশাপাশি সীমিত আকারে বাসও চলাচল করছে। বাস চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি, সময় ও অর্থ অপচয় কমেছে।
সকাল ১০টায় দাউদকান্দির গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় ঘরমুখী যাত্রী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ফোনসাই গ্রামের শাহাব উদ্দিনের সঙ্গে। চাকরিজীবী শাহাব উদ্দিন জানান, বাসে করে তিনি ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন। মাত্র ২০০ টাকায় দাউদকান্দির গৌরীপুরে তিনি পৌঁছেছেন। ৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করতে মাত্র দেড় ঘণ্টা সময় লেগেছে। কুমিল্লার তিতাস উপজেলার দড়িকান্দি গ্রামের চাকরিজীবী জাহিদ হাসান একই কথা বলেন।
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছয়গড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা চাকরিজীবী নাঈম হাসান সকাল সাড়ে ১০টায় দাউদকান্দির পেন্নাইয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, বাস চলাচল শুরু না হলে নববিবাহিতা স্ত্রী ফারজানাকে নিয়ে ঈদে গ্রামের বাড়ি আসতাম না। ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানে ভাড়াও বেশি ভোগান্তিও বেশি।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের রেজারগাঁও গ্রামের সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লার মুরাদনগরের কৃষ্ণপুর গ্রামের রুহুল আমীন একই কথা বলেন।
ঢাকা-হোমনা সড়কে চলাচলকারী সোলমানশাহ পরিবহনের বাসের চালক জালাল মিয়া দাউদকান্দির শহীদনগর বাসস্ট্যান্ডে বলেন, পেটের দায়ে বাস নিয়ে মহাসড়কে বের হয়েছি। বুধবারের চেয়ে বৃহস্পতিবার যাত্রী কম। তবে পুলিশ চালকদের সহযোগিতা করছেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলেন জানান দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার হাবিলদার আশরাফ সিদ্দিকী।