
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার ডাকবাংলো থেকে মৃধা বাড়ি পর্যন্ত তিন কিলোমিটার সড়ক এক বছর ধরে বেহাল হয়ে আছে। সড়কে অন্তত ২০টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে খানাখন্দে আটকে পড়ে যানবাহন। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এটি ডাকবাংলো সড়ক নামে পরিচিত। সড়কটি দিয়ে পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একাংশের বাসিন্দারা চলাচল করে। এ ছাড়া মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের বকসির ঘটিচোরা গ্রাম, টিকিকাটা ইউনিয়নের তেঁতুলতলা গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরে যাতায়াতের জন্য সড়কটির ওপর নির্ভরশীল।
সড়কটির পৌরসভার অংশের ডাকবাংলো থেকে মৃধা বাড়ি পর্যন্ত তিন কিলোমিটারে অসংখ্য ছোট–বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কের গর্তে যানবাহনের চাকা আটকে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে সড়কটি এক বছর ধরে বেহাল হয়ে আছে।
গত শুক্রবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির কে এম লতিফ ইনস্টিটিউশন জামে মসজিদসংলগ্ন মার্কেটের সামনে দুটি, নূর হোসেন খানের ঘের এলাকায় দুটি, আলম মাস্টার ও আবুল বাশারের বাড়ির সামনে ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কে বৃষ্টির পানি জমে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি দিয়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল করে। এ ছাড়া মালামাল পরিবহনে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে দেখা যায়। এসব যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক নূর আলম বলেন, ডাকবাংলো থেকে সড়কটি টিকিকাটা ইউনিয়নের দধিভাঙ্গা বাজার পর্যন্ত চলে গেছে। এর মধ্যে পৌরসভার তিন কিলোমিটার এক বছর ধরে বেহাল হয়ে আছে। ভাঙা সড়কের গর্তে গাড়ির চাকা আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। সংস্কার করা না হলে বর্ষায় সড়কটি দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।
ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক রায়হান বলেন, সড়কে বড় বড় গর্ত হয়ে যাওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রীরা গাড়ি থেকে পড়ে আহত হন। গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে যায়। ঘন ঘন গাড়ি মেরামত করতে হয়।
মঠবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুস সালেক বলেন, সড়কটির ডাকবাংলো থেকে পৌরসভা অংশের সংস্কারের জন্য উপকূলীয় শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে সড়কটি সংস্কার করা সম্ভব হবে।