শিমখেতে কনকনে শীতে কাঁদছিল নবজাতক

শিমখেত থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পরিচয় জানা যায়নি
ছবি: সংগৃহীত

কনকনে ঠান্ডায় শিমখেতের ভেতর থেকে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছিল। ওই খেতের পাশ দিয়ে হেঁটে বাজারে যাচ্ছিলেন জেলে মোহাম্মদ মোস্তফা। কান্নার আওয়াজ শুনে মোস্তফা দাঁড়িয়ে যান। এরপর শিমখেত থেকে ওই কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেন তিনি।

আজ বুধবার ভোরের দিকে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বদিউজ্জামান উচ্চবিদ্যালয়ের পাশের একটি শিমখেত থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। নবজাতকটি উপজেলার স্বর্ণদ্বীপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে তার কোনো পরিচয় জানা যায়নি।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আকবর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল ছয়টার দিকে মোহাম্মদ মোস্তফা নামের এক ব্যক্তি ওই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। মোস্তফা জানিয়েছেন, একটি শিমখেত থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করেছেন তিনি। হাসপাতালে আনার পর শিশুটির দেহে আঁচড়ের দাগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শিমগাছের লতার সঙ্গে ঘষা লেগে আঁচড় লেগেছে। প্রচণ্ড শীতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি সন্দ্বীপ থানায় জানানো হয়েছে।

জানতে চাইলে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, নবজাতক উদ্ধারের খবর পেয়ে স্বর্ণদ্বীপ হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকারীর সঙ্গে কথা বলে শিশুর মা-বাবাকে খোঁজা হবে। যদি মা-বাবা খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ মোস্তফার সঙ্গে এখনো কথা বলা সম্ভব হয়নি।