কক্সবাজার সদর উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর মন্দিরের এক সেবায়েতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার পাহাড়ি এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
লাশ উদ্ধার হওয়া সেবায়েতের নাম নয়ন দাশ (৩৫)। তিনি খুরুশকুল ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার পুলিশ্যারঘোনা নাগপঞ্চমী মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন। তাঁর স্থায়ী বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দোহাজারী এলাকার ফুলতলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের গোপাল দাশের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, গত রোববার রাত ৯টার দিকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন নয়ন দাশকে খুরুশকুল এলাকার তাঁর বসতঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে না পেয়ে সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে আজ দুপুরে স্থানীয় ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্ব পাশের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে নয়ন দাশের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছমিউদ্দিন বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
মন্দিরের একজন সেবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে নয়ন দাশকে হত্যা করে লাশ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁর গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে বিচার বিভাগীয় তদন্ত দরকার।’