ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা

চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার সকাল সাতটার দিকে ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

ফেরদৌস আরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুরে। তাঁর জন্ম ঢাকায়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শেখদী এলাকায় বসবাস করতেন তিনি। তাঁর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার খানেবাড়ি এলাকায়। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ৩৬তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, সাত বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ফেরদৌস আরা সোমবার অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যান। তিনি মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। আজ সকাল সাতটার দিকে তিনি মারা যান। তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ফেরদৌস আরাকে শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে দাফন করা হবে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের ফেসবুক পেজে বিষয়টি নিয়ে একটি শোকবার্তা দেওয়া হয়। শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়, ফেরদৌস আরার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সদস্যরা গভীরভাবে মর্মাহত। ফেরদৌস আরা চাকরি জীবনে একজন কর্তব্যপরায়ণ, সৎ, দক্ষ ও সদালাপী কর্মকর্তা হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর এ মৃত্যুতে দেশ একজন দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তাকে হারাল।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে প্রথম আলোকে বলেন, ‘মাথাব্যথা নিয়ে তিনি গতকাল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে কার্ডিয়াক অ্যাটাক হয়েছে। তাঁর লাশ স্বামীর বাড়ি কুমিল্লায় নেওয়া হবে।’