শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে বগুড়ায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে
শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে বগুড়ায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে

শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগসহ নানা দাবিতে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় হতাহতের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগসহ নানা দাবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, যশোর, রাজবাড়ী ও রাজশাহীতে তাঁরা দাবি আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। এর মধ্যে কুমিল্লা, যশোর ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করা হয়।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ, হতাহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ, গভীর রাতে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের প্রতিবাদ, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের পদত্যাগ, শিক্ষাসচিব সিদ্দিক জোবায়েরকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ, বিমানবাহিনীর ব্যবহৃত ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো প্রশিক্ষণ বিমান বাতিল করে আধুনিক ও নিরাপদ বিমান চালু করা ইত্যাদি।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে নগরের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে বিক্ষোভ করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই অবরোধের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

বরিশালে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা উত্তরার যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে নথুল্লাবাদ এলাকার মহাসড়কে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেন। জানাজা শেষে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সেখানে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের খুঁজে পাচ্ছে না। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য জানতে চান বিক্ষোভকারীরা।

এ সময় বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী ইমাম হোসেন, শাহরিয়ার রুম্মান, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। তাঁদের অভিযোগ, মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় এতগুলো শিশুর মৃত্যু ও দগ্ধ হওয়ার ঘটনার পর সরকারের যে ধরনের দায়িত্বশীলতার প্রয়োজন ছিল, তা দেখা যায়নি। তাঁরা বলেন, এত বড় দুর্ঘটনার পরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করেনি। এরপর গভীর রাতে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার কোনো সুযোগও দেওয়া হয়নি। এই আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্তের নোটিশ আমরাও গভীর রাতে পেয়েছি। নোটিশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব কলেজে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

দুপুরে শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ ও শিক্ষাসচিবের অপসারণের দাবিতে বগুড়ার সাতমাথা এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন কয়েক শ শিক্ষার্থী। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক দাবি এক, শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ’, ‘এক দুই তিন চার, শিক্ষাসচিব গদি ছাড়’, ‘হাসিনা গেছে যে পথে, আবরার যাবে সেই পথে’সহ নানা স্লোগান দেন। মিছিলটি শহরের সাতমাথা, শেরপুর সড়ক, ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মোড়, জলেশ্বরীতলা, শহীদ আবদুল জব্বার সড়ক, কালীবাড়ি মোড়, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বাকী সড়ক, কালীবাড়ি মোড়-জেলখানা মোড়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর হয়ে আবার সাতমাথায় ফিরে আসে।

শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগসহ নানা দাবিতে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে

তার আগে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে সমাবেশ করা হয়। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার সদস্যসচিব সাকিব খানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু হতাহতের ঘটনায় শোকে স্তব্ধ গোটা দেশ। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অথচ এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা নিয়ে টালবাহানা করা হয়েছে। রাত তিনটার দিকে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কারণে শিক্ষা উপদেষ্টাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে। শিক্ষাসচিবকেও অপসারণ করতে হবে। অন্যথা কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে শতাধিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের ফটক ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। তার আগে নগরের কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে দাবি জানিয়ে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আহত ও নিহত শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সংখ্যা আজকের মধ্যেই প্রকাশ করতে হবে। দুর্ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অজ্ঞাত রাখা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার দিবাগত রাত তিনটার সময় হঠাৎ করে পরীক্ষা বন্ধের নোটিশ জারি করেছে, যা দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে। এ জন্য শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগ চান তিনি।

মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের পদত্যাগ দাবিতে ময়মনসিংহ নগরের গাঙ্গীনারপাড় মোরে সড়ক আটকে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুরে

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শামসুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা আমাদের কাছে মৌখিকভাবে তাঁদের দাবিগুলো জানিয়েছেন। আমরা তাঁদের আশ্বস্ত করেছি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবিগুলো আমরা উপস্থাপন করব। এরপর তাঁরা চলে গেছেন।’

একই দাবিতে ময়মনসিংহে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের গায়েবানা জানাজা পড়া হয়। আজ সকাল ১০টার দিকে নগরের টাউন হল চত্বর থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর মিছিল নিয়ে নগরের গাঙ্গিনারপাড় ট্রাফিক মোড় এলাকায় শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণ সড়ক অবরোধ করেন। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নগরীর টাউন হল জুলাই চত্বরে এসে আবার বিক্ষোভ করা হয়। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে শিক্ষা উপদেষ্টা ও সচিবের পদত্যাগ দাবি করা হয়। এতে ময়মনসিংহের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এদিকে ঘটনার সুস্থ তদন্ত ও হতাহতদের ক্ষতিপূরণসহ আট দফা দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুর ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত যশোর শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের কার্যালয় ঘেরাও করে তাঁরা বিক্ষোভ করেন। দাবি পূরণে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হয়। দুপুর ১২টায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আন্দোলনের শুরুতে শিক্ষার্থীরা বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত হয়ে বলেন, ‘তোমাদের অনেক দাবি যৌক্তিক। দাবিগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তোমরা ধৈর্য ধরো। তৃতীয় পক্ষ যেন সুযোগ না নেয়, সে বিষয়েও তোমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

আট দফা দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে

জেলা প্রশাসক চলে যাওয়ার পর যশোর সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফারহানা হোসেন বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছি। এর মধ্যে আমাদের দাবি আদায় না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে টালবাহানার অভিযোগে শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন নওগাঁর এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁর বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা শহরের সরকারি বসিরউদ্দিন মেমোরিয়াল কো-অপারেটিভ মহিলা কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিক্ষা ভবনের সামনে গিয়ে তাঁরা বিক্ষোভ করেন।

একই দাবিতে রাজবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। দুপুরে রাজবাড়ী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের রেলগেট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ হয়ে রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ করে। এ সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন কলেজশিক্ষার্থী তামিম, আতিক, উম্মে সাদিয়া প্রমুখ। এ সময় বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশের পাশাপাশি শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। মঙ্গলবার বিকেলে

এদিকে শিক্ষা উপদেষ্টা ও শিক্ষাসচিবের পদত্যাগের দাবিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের সামনে জড়ো হয়ে ১২ দফা দাবি জানান। এ নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু চেয়ারম্যানের কথায় আশ্বস্ত না হয়ে তাঁরা আবার আন্দোলন নামেন। বেলা আড়াইটার দিকে তাঁরা শিক্ষা বোর্ডের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা এক দফা নিয়ে বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেন একদল শিক্ষার্থী। পরে বিকেল চারটার দিকে তাঁরা বাইরে এসে জানান, বোর্ড চেয়ারম্যান তাদের দাবি মেনে নিয়েছেন। তখন একদল শিক্ষার্থী জানান, তাঁরা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া আন্দোলনস্থল থেকে চলে যাবেন না। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে মারামারি হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা ফটকের তালা খুলে দেন।

শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আ ন ম মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা প্রথমে যেসব দাবি-দাওয়া নিয়ে এসেছিলেন। সেগুলো তাঁর এখতিয়ারের মধ্যে ছিল না। পরে তাঁরা একটি লিখিত দাবি নিয়ে আসেন। তিনি এটা যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল, বগুড়া ও ময়মনসিংহ; প্রতিনিধি, কুমিল্লা, নওগাঁ, রাজবাড়ী, রাজশাহী ও যশোর অফিস]