লাশ উদ্ধার
লাশ উদ্ধার

পুকুরে ভাসছিল পাগড়ি, সেখানেই মিলল নিখোঁজ মাদ্রাসাশিক্ষার্থীর লাশ

হঠাৎ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী মো. সাজিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে মাদ্রাসার পাশের একটি পুকুরে পানির ওপর সাদা পাগড়ির অংশ ভাসতে দেখে সহপাঠীরা। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। আজ সোমবার সকাল নয়টার দিকে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার খিরাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাজিদ (১৪) উপজেলার ঘোড়াদিয়া গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। সে উপজেলার খিরাটি কামালিয়া রশিদিয়া আশরাফিয়া কওমি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, আজ ফজরের নামাজের পর থেকে সাজিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে মাদ্রাসার পাশে পুকুরে পানির ওপর সাদা পাগড়ির একটি অংশ ভাসতে দেখে সহপাঠীরা সন্দেহ করে, সেখানেই সাজিদের মরদেহ রয়েছে। সেখান থেকেই তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ নিকটবর্তী মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবদুস সবুর জানান, মাদ্রাসার পাশেই পুকুরের চারপাশের পাড়ে আমগাছ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই সবাই সেখানে আম কুড়াতে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, সাজিদ আম কুড়াতে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যায়। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনাকে ঘিরে বলাৎকার (ধর্ষণ) বলে গুঞ্জন ছড়ালেও এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ লাশ ময়নাতদন্তের প্রস্তাব দিলেও নিহতের পরিবার এতে রাজি হয়নি।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বলাৎকারের বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরিবার লাশ ময়নাতদন্তে সম্মতি দেয়নি। লাশ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।