
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ভোটের মাঠে লড়বেন পাঁচজন প্রার্থী। আজ সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান। এর আগে এ আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। নতুন তফসিল অনুযায়ী তাঁদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হয়নি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়া আবদুল বাতেন, কর্মপরিষদ সদস্য আনোয়ার হোসেন, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. লিখন মিয়াসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেলে নির্বাচন কমিশন প্রথমে ভোট স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে। পরে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করে আগামী ৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। জামায়াতের প্রয়াত প্রার্থীর ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দেয় জামায়াত। তিনি জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখা ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শেরপুর-৩ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, সমাজতান্ত্রিক দলের মিজানুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হককে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ২৭৭ জন। ৫ মার্চ মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৫ মার্চ।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন বা অনিয়মের চেষ্টা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।