গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান জয় পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লতিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কালিয়াকৈর পৌরসভার সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান জয় পেয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লতিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

গাজীপুর-১

পৌর প্রশাসক থেকে মেয়র হওয়া মজিবুর হলেন সংসদ সদস্য

ছাত্ররাজনীতি মাধ্যমে বিএনপির সঙ্গে যাত্রা। একসময় গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পান। মানুষের আস্থা অর্জন করে পরবর্তী সময়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয়ী হন। একবার নয়, টানা তিনবার কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে ‘মেয়র মজিবুর’ নামে পরিচিতি পান। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য হয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার ভোরে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন বেসরকারিভাবে গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবুর রহমানকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন। তিনি ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ্ আলম বকশী ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়েছেন।

মজিবুর রহমান বলেন, ‘দল আমার ওপর আস্থা রেখে আমাকে গাজীপুর-১ আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছে। আমি সেই আস্থা রেখেছি। এই জয় শুধু আমার একার নয়; এই জয় গাজীপুর-১ আসনের কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর ও বাসান এলাকাবাসীর। পৌরবাসী আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা কখনো ভুলব না। এখন আমার দায়িত্ব আরও বেড়েছে। জাতীয় পর্যায়ে থেকে এলাকার উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে চাই।’

এলাকাবাসী বলছেন, দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করা নেতাদের প্রতি ভোটারদের আস্থা তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল ও দ্রুত নগরায়ণশীল এলাকায় অভিজ্ঞ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ। কালিয়াকৈর, কোনাবাড়ী, কাশিমপুর ও আশপাশের এলাকার ভোটাররা মনে করছেন, পৌর মেয়র হিসেবে যে অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেছেন, তা সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার উন্নয়নে কাজে লাগবেন।

মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়র মজিবুরকে আমরা অনেক দিন ধরেই কাছে পেয়েছি। কোনো সমস্যা হলে সরাসরি কথা বলা যেত। এই সরাসরি যোগাযোগের রাজনীতি তাঁকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আলাদা অবস্থান দিয়েছে।’