রাতভর বাঘের গর্জন, সকালে পায়ের ছাপ, বনরক্ষীরা আতঙ্কে

সুন্দরবনের শরবতখালী টহল ফাঁড়ি এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ
ছবি: প্রথম আলো

ঘড়িতে তখন গতকাল রোববার রাত ৮টা। এমন সময় ভেসে আসে বাঘের গর্জন। কাঠের পাটাতন আর টিনের ছাউনির ফরেস্ট অফিসটিকে বড্ড অরক্ষিত মনে হচ্ছিল বনরক্ষীদের। সারা রাত ধরে চলে বাঘের গর্জন। আতঙ্কে চারজন বনরক্ষীর একজনও ঘুমাতে পারেননি। আজ সোমবার সকালে ভয়ে ভয়ে বের হয়ে দেখেন, ঘরের পাশে দুটি বাঘের পায়ের ছাপ। বাঘের আতঙ্কে সারা রাত কাটানোর এই বর্ণনা দিয়েছেন খুলনা রেঞ্জের অধীন শরবতখালী বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান।

শেখ মিজানুর রহমান বলেন, এর আগেও একদিন টহল ফাঁড়ির একজন বনরক্ষী রাতে টয়লেটে যাওয়ার জন্য বের হয়ে পুকুরপাড়ের কাছাকাছি টর্চের আলোতে বাঘ দেখতে পান। টহল ফাঁড়ির আশপাশের এলাকায় তিনটি বাঘ ঘোরাফেরা করছে। বাঘগুলো কখনো অফিসের আশপাশে, কখনো নদীর তীরে অবস্থান করছে।

খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এ জেড এম হাছানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বর্তমান সময়টা সুন্দরবনের বাঘের প্রজননকাল। তাই সঙ্গীসহ বাঘগুলো চলাচল করছে। বনরক্ষীরা সতর্ক অবস্থানে থেকে বাঘের গতিবিধি লক্ষ করছেন।’