ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়েকের সড়ক বিভাজকে অবৈধ সবজি খেত উচ্ছেদ করে সেখানে নতুন করে ফুলের গাছ লাগাচ্ছে সড়ক বিভাগ। গতকাল বিকেলে মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়েকের সড়ক বিভাজকে অবৈধ সবজি খেত উচ্ছেদ করে সেখানে নতুন করে ফুলের গাছ লাগাচ্ছে সড়ক বিভাগ। গতকাল বিকেলে মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

সড়ক বিভাজক থেকে সরানো হচ্ছে সবজিখেত, লাগানো হচ্ছে গাছ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশে সড়ক বিভাজকের অবৈধ সবজিখেত উচ্ছেদ করে নতুন করে গাছের চারা লাগাচ্ছে সড়ক বিভাগ। উচ্ছেদ অভিযানের আগে গত রোববার দিনভর সবজি চাষিদের চাষ করা সবজি সরিয়ে নিয়ে যেতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশে মাইকিং করা হয়।

চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগ সূত্র জানায়, ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর অনলাইনে প্রকাশিত এ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন নজরে আসে সড়ক বিভাগের। এরপর রোববার দিনভর মহাসড়কের মিরসরাই অংশে মাইকিং করে অবৈধ সবজি চাষিদের সড়কদ্বীপে লাগানো সবজি গাছ সরিয়ে নিয়ে যেতে ও ভবিষ্যতে গাছ কেটে অবৈধ চাষাবাদ না করতে অনুরোধ করা হয়। গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত মহাসড়কের মিরসরাই অংশের মিঠাছড়া বাজার থেকে বারইয়ারহাট বাজার পর্যন্ত তিন কিলোমিটার অংশে সবজি খেত উচ্ছেদ করা হয়। সেখানে নতুন করে কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, বকুল, টগর রাধাচূড়াসহ ৭০ জাতের ফুলের গাছ রোপণ করা হয়।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (সীতাকুণ্ড সার্কেল) সেগুন প্রসাদ বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড অংশে সড়ক বিভাজকে অবৈধ সবজি চাষ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছি আমরা। রোববার প্রথমে মাইকিং করে অবৈধ সবজি চাষিদের চাষ করা সবজি গাছ সরিয়ে নিতে অনুরোধ করা হয়।’

গত সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিন সড়কের মিরসরাই অংশে তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবৈধ সবজিখেত উচ্ছেদ করে ৭০টির মতো দেশীয় প্রজাতির ফুল গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।